সোমবার । ২৫শে মে, ২০২৬ । ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
জাল সনদে চাকরি

১১৭ শিক্ষকের এমপিও বাতিল, মামলার নির্দেশ

গেজেট প্রতিবেদন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) তদন্তে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় দেশের এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১১৭ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পে-অর্ডার) চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একইসঙ্গে এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং এখন পর্যন্ত তাদের নেওয়া সরকারি বেতনের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আদায়ের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখা থেকে প্রকাশিত দুটি প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়।

এর মধ্যে ১১২৪০০২০ রোল নম্বরধারী কামাল হোসেন ও ৩১৪০০১৭৪ রোল নম্বরধারী আনোয়ার উল্লাহসহ বিভিন্ন মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১১৪ জন শিক্ষক এবং মাহমুদা বেগমসহ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। এনটিআরসিএর গত ৩০ মার্চ পাঠানো এক তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের দাখিল করা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এনটিআরসিএর সংরক্ষিত ফলের সঙ্গে মেলেনি এবং কারো কারো ক্ষেত্রে অন্যের রোল নম্বর ও ছবি ব্যবহার করে জালিয়াতি করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সূত্র জানায়, মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১১৪ জন শিক্ষকের ক্ষেত্রে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’-এর ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এমপিও বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ জন শিক্ষকের ক্ষেত্রে ‘বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬ (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা টেকনোলজি (বিএমটি) ও ডিপ্লোমা)’-এর ২৬ অনুচ্ছেদ মোতাবেক এমপিও বাতিল করা হয়।

এছাড়া আরেক নির্দেশনায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব আব্দুল হান্নান সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে দ্রুত শিক্ষকদের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে একই নীতিমালার ৩৫.১ ও ৩৫.১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিক্ষক পদে বহাল থাকাকালীন গৃহীত সমস্ত সরকারি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আনা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দ্রুত মামলা দায়েরের জন্যও বলা হয়েছে।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন